কিডনি রোগের ঝুকি কমানোর উপায়।
মানব দেহের প্রতিটি অঙ্গ,পেশী ও গ্রন্থিগুলো প্রতিনিয়ত কার্যরত অবস্থায় আছে। এগুলোর মধ্যে কোন ত্রুটি বা সমস্যা সৃষ্টি হলে মানবদেহের বিকাশ ও সুস্থতায় ব্যাঘাত ঘটে।মানব দেহের প্রতিটি অঙ্গই শরীরের বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
ফুসফুস দ্বারা আমরা নিঃশ্বাস গ্রহণ ও ত্যাগ করি,হৃদয় যন্ত্র সতেজ অক্সিজেন এর মাধ্যমে আমাদের রক্ত পরিষ্কার করে শরীরের বিভিন্ন শিরাতে প্রেরন করে থাকে,তেমনি কিডনি আমাদের শরীরে যে অতিরিক্ত পানি এবং বর্জ্য পদার্থ থাকে তা মূত্রাশয়ের মাধ্যমে বের করে ফেলে শরীরকে সুস্থ্য রাখে।
সূচিপত্রঃকিডনি রোগের ঝুকি কমানোর উপায়
কিডনি কি?
কিডনি মানবদেহের একটি গুরুত্বপূর্ন অংশ,প্রতিটি মানদেহে এক জোড়া কিডনি থাকে।এটি হল দুটি শিমের আকৃতির অঙ্গ, প্রত্যেকটি একটি মুষ্টির আকারের হয়ে থাকে। এগুলো আপনার মেরুদণ্ডের উভয় পাশে একটি পাঁজরের খাঁচার নীচে অবস্থিত।একটি সুস্থ কিডনি প্রতি মিনিটে প্রায় দেড় কাপ রক্ত ফিল্টার করে, বর্জ্য অপসারণ করে এবং অতিরিক্ত পানি প্রস্রাব তৈরি করে থাকে।
মানদেহে কিডনির কাজ কি?
কিডনি মানবদেহে যে রক্ত থাকে তা পরিষ্কার বা ফিল্টারিং করে মুত্র তৈরি করে এছাড়া আমাদের শরীরে অতিরিক্ত পানি এবং বর্জ্য পদার্থ যা থাকে সেটি বের করে দেয়।তাছাড়া আমরা যে খাবার খায় তা থেকে লবণ এবং খনিজ পদার্থরক্তে মিশে যেতে সাহায্য করে কিডনি।তাছাড়া রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ রাখা,হাড়ের গঠন মজবুত রাখা এবং শরীররে নতুন রক্ত কণিকা তৈরি করাতও অবদান রাখে কিডনি। মনে করেন যদি আপনার কিডনি ভালো মতো কাজ না করে থাকে তাহলে আপনার দেহে কি কি পরিবর্তন আসতে পারে বা আপনার দেহ কিরূপ হ্মতির সম্মুখিন হতে পারে?
আরো পড়ুনঃ অতিপুষ্টির লক্ষণ ও এই সমস্যায় আপনার যা করা উচিৎ
বাংলাদেশের কিডনি ফাউন্ডেশন নামের একটি বেসরকারি সংস্থা আছে তাদের এক প্রতিবেদন বা জরিপে জানা যায় যে,বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২ কোটি মানুষ কিডনি রোগে আক্রান্ত।এবং প্রতি বছর অন্তত ৪০ হাজার কিডনি নষ্ট হয়।
কিডনি সমস্যাগুলো কি ?
আপনারা হয়তো সকলেই জানেন কিডনি ফেলিয়ারের বিষয়টা ,এটির আরেকটি নাম হচ্ছে দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ, যাকে ক্রনিক কিডনি ডিজিস বলা হয়ে,এটি সব বয়সের মানুষের মধ্যে হতে পারে কিন্তু এটি বৃদ্ধ মানুষের জন্য বেশি ঝুকিপুর্ন ।এই রোগে কিডনির কার্যকারিতা ধীরে ধীরে হ্রাস পায়। আপনার কিডনি আপনার রক্ত থেকে বর্জ্য এবং অতিরিক্ত তরল ফিল্টার করে, যা আপনার প্রস্রাবে অপসারণ করা হয়।
উন্নত দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ আপনার শরীরে বিপজ্জনক মাত্রার তরল, ইলেক্ট্রোলাইট এবং বর্জ্য তৈরি করতে পারে৷ দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে আপনার কিছু লক্ষণ বা উপসর্গ থাকতে পারে৷ অবস্থার উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত আপনি বুঝতে পারবেন না যে আপনার কিডনি রোগ আছে।
কিডনি ফেলিয়ারের লক্ষণঃ
ক্রনিক কিডনি রোগের বা কিডনি ফেলিয়ারের লক্ষণ ও উপসর্গ সময়ের সাথে সাথে বাড়তে থাকে, যদি কিডনির ক্ষতি ধীরে ধীরে হয়। কিডনির কার্যকারিতা হারানোর ফলে তরল বা শরীরের বর্জ্য বা ইলেক্ট্রোলাইট সমস্যা তৈরি হতে পারে। এটি কতটা গুরুতর তার উপর নির্ভর করে, কিডনির কার্যকারিতা হ্রাস হতে পারেঃ
- বমি বমি ভাব আসা।
- বমি হওয়া ।
- ক্ষুধামান্দ্য আসা ।
- ক্লান্তি এবং দুর্বলতা দেখা দেওয়া।
- ঘুমের সমস্যা।
- ঘন ঘন প্রস্রাব করা ।
- মানসিক তীক্ষ্ণতা হ্রাস পাওয়া ।
- পা ও গোড়ালি ফুলে যাওয়া।
- শুষ্ক, চুলকানি ত্বক।
- উচ্চ রক্তচাপ যা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন।
- শ্বাসকষ্ট, যদি ফুসফুসে তরল জমা হয়।
- বুকে ব্যথা, যদি হৃদপিন্ডের আস্তরণের চারপাশে
- প্রস্রাবের সাথে রক্ত পরা।
কিডনি ফেলিয়ারের কারণসমূহঃ
ক্রনিক কিডনি রোগ দেখা দেয় যখন একটি রোগ বা অবস্থা কিডনির কার্যকারিতা ব্যাহত করে, যার ফলে কিডনির ক্ষতি কয়েক মাস বা বছর ধরে খারাপ হয়।
ক্রনিক কিডনি রোগ সৃষ্টিকারী রোগ ও অবস্থার মধ্যে রয়েছেঃ
- টাইপ 1 বা টাইপ 2 ডায়াবেটিস।
- উচ্চ রক্তচাপ।
- কিডনির ফিল্টারিং ইউনিটের প্রদাহ (গ্লোমেরুলি)
- ইন্টারস্টিশিয়াল নেফ্রাইটিস, কিডনির টিউবুল এবং আশেপাশের কাঠামোর প্রদাহ।
- পলিসিস্টিক কিডনি রোগ বা অন্যান্য বংশগতভাবে প্রাপ্ত কিডনি রোগ।
- মূত্রনালীর দীর্ঘস্থায়ী বাধা, বর্ধিত প্রস্টেট, কিডনিতে পাথর এবং কিছু ক্যান্সারের মতো অবস্থা।
- ভেসিকোরেটেরাল রিফ্লাক্স, এমন একটি অবস্থা যার ফলে প্রস্রাব আপনার কিডনিতে ফিরে আসে।
- বারবার কিডনি সংক্রমণ, যাকে পাইলোনেফ্রাইটিসও বলা হয়।
কিডনি সংক্রমণ
যারা সিস্টাইসিস বা মুত্রাশয়ের সংক্রমণে ভোগেন তাদের মধ্যে কিডনিতে সংক্রমনের আশংকা অনেক বেশি থাকে ,তবে তার মানে এই নয় যে আপনি যদি মূত্রাশয়ের সংক্রমণে এ ভোগেন তাহলে আপনার অবশ্যই কিডনিতে সংক্রমণ হবে।৩টি তখনই হয় যখন ব্যাকটেরিয়া মূত্রাশয় থেকে কিডনি পর্যন্ত পৌঁছে যায় অর্থাৎ যদি একবার কিডনিতে ব্যাকটেরিয়া পৌঁছে যায় তাহলে সে ক্ষেত্রে কিডনিতে সংক্রমণ হওয়া ছাড়া আর কোন উপায় থাকেনা।
আরো পড়ুনঃ টিউমার চেনার উপায় - ৫টি ভয়ংকর গলায় টিউমার চেনার উপায়
কিডনি সংক্রমণের লহ্মণঃ
- হাত পা কাপুনি দিয়ে জ্বর আসা।
- অসুস্থতা বোধ করা ।
- শরীরের পেছনের দিকে ব্যথা করা ।
- ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া ।
- প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া বা দুর্গন্ধ হওয়।
যদি এসব উপসর্গ দেখা দেয় তাহলে দেরি না করে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
কিডনি পাথর কি?
কিডনি শুনলেই আমরা যে কথাটি প্রথমে মনে করি তা হচ্ছে কিডনিতে পাথর হওয়ার বিষয়টি । কিডনি রোগের মধ্যে কিডনিতে পাথর হওয়া বেশি লক্ষণীয়। কিডনিতে পাথর যেকোন বয়সের মানুষের মধ্যে দেখা যেতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে যাদের বয়স ৩০ থেকে ৬০ বছরের মাঝামাঝি তাদের মধ্যে কিডনিতে পাথর হওয়ার বেশি ঝুঁকি থাকে।
কিন্তু বাংলাদেশর মানুষার মধ্যে কিডনিতে পাথর হওয়ার বিষয়টি এত বেশি দেখা যায় যে প্রতি ১০ জনে অন্তত একজনের মধ্যে কিডনিতে পাথর হয়। সাধারণত কিডনি বা মূত্রনালী অর্থাৎ যে নালীটি মূত্রাশয় কে কিডনির এর সাথে সংযুক্ত করে সেই মূত্রনালীতে পাথর হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।
কিডনি পাথরের লহ্মণ?
কিডনিতে যদি পাথর হয়,তাহলে এই তিনটি লহ্মণ অবশ্যই দেখা দিবে তা হলো;
- তল পেটের একপাশে ব্যাথা( মাঝে মাঝে ত্রিব্র ব্যাথা অনুভব করা)।
- অসুস্তথা বোধ হওয়া।
- এবং বমি হওয়া
উপোরক্ত লহ্মণ গুলো খুব বেশি গুরুতর হয়ে গেলে তৎহ্মণিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
কিডনি ক্যান্সার কি?
কিডনি ক্যান্সার এটিকে রেনাল ক্যান্সারও বলা হয়।সাধারণত ৬০ থেকে ৭০ বছর বয়সীদের মধ্যে কিডনি ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে ৫০ এর কম যাদের বয়স তাদের মধ্যে এই ক্যান্সার হয় না বললেই চলে। কিডনি ক্যান্সার যদি প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়ে তাহলে কি সম্পূর্ণ নিরাময় যোগ্য?
চিকিৎসকদের মতে প্রাথমিক অবস্থায় কিডনি ক্যান্সার ধরা পড়লে এটি একদম নিরাময় যোগ্য, তবে যদি একদম শেষ পর্যায়ে গিয়ে ধরা পড়ে তাহলে সে ক্ষেত্রে এটি নিরাময় হয় না বললেই চলে।
আরো পড়ুনঃ নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার - নিউমোনিয়া রোগীর খাবার
কিডনি ক্যান্সারের আসলে তেমন কোনো লক্ষণ সমূহ চিহ্নিত করা যায় না বা কিডনি ক্যান্সার এর কোনো উপসর্গ থাকে না বললেই চলে।সাধারণত অন্য রোগের জন্য পরীক্ষা করতে গিয়ে কিডনি ক্যান্সার ধরা পড়তে পারে।তবে কিছু লক্ষণ আছে যা দ্বারা আপনি কিডনি ক্যান্সার শনাক্ত করতে পারেন যেমনঃ
কিডনি ক্যান্সারের লহ্মণ?
উপরোক্ত লক্ষণগুলোর ন্যায় কিডনি ক্যান্সারের তিনটি লক্ষণ বিশেষভাবে পর্যালোচনা করা যায়।এই তিনটি লক্ষণ দেখা দিলে যথাযথ সময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
- প্রসাবের সাথে রক্ত পড়া বা প্রসাবের রং লাল বর্ণের হওয়া।
- পাঁজরের ঠিক নিচেই শরীরের একপাশে ব্যথা করা।
- শরীরের পিছনের দিকে পিন্ড বা ফোলা ভাব।
কিডনিকে সুস্থ্য রাখার উপায়!
আপনি যদি আপনার কিডনিকে সুস্থ রাখতে চান তাহলে আপনার প্রতিদিনের খাদ্য অভ্যাস ও শারীরিক কিছু অভ্যাসে পরিবর্তন আনতে হবে।তাছাড়া পাঁচটি অভ্যাসের মাধ্যমে আপনি আপনার কিডনিকে সুস্থ রাখতে পারেন।
- বেশি বেশি তরল জাতীয় খাদ্য বা পানীয় গ্রহণ করতে হবে।বেশি বেশি পানি ও জাতীয় খাদ্য ও বেশি বেশি পানি পান করলে কি সঠিকভাবে কাজ করতে সক্ষম হয়। প্রসাব সবসময় খরের রংয়ের হবে।যদি এরকম কারো লালবাগ আরো হয়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে যে আপনার শরীরের তরলের পরিমাণ কমে যাচ্ছে।
- স্বাস্থ্যকর খাবার খান।পরিমিত এবং স্বাস্থ্যকর খাবার আপনার শরীরের সব ধরনের ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান এর যোগান দিয়ে আপনার শরীরকে কার্যকরী করে তোলে।অতিরিক্ত লবণ এবং চর্বি জাতীয় খাদ্য পরিহার করার চেষ্টা করুন।
- নিয়মিত আপনার রক্তচাপ পরীক্ষা করে ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।উচ্চ রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার হৃদরোগের এবং কিডনির রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
- সকল প্রকার নেশা জাতীয় জিনিস বা খাদ্য পরিহার করুন।এর মধ্যে বিশেষ করে ধূমপান ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর একটি দ্রব্য।তাছাড়া আপনি যদি মাদকাসক্ত হন তাহলে তো আপনাকে পরিত্যাগ করতে হবে অথবা এর মাত্রা কমিয়ে দিতে হবে।
- কিডনিকে ভালো ও সুস্থ রাখার সব থেকে ভালো উপায় হচ্ছে আপনি আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন অথবা পাতলা থাকার চেষ্টা করুন।ওজন কমানো বা পাতলা হওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ব্যায়াম আপনি অনুশীলন করতে পারেন।
কিভাবে কিডনি রোগের ঝুকি কমানো যায়?
কিডনিকে বিভিন্ন রোগের ঝুকি হতে রহ্মা করা জন্য চিকিৎসকরা বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে থাকেন।কিডনিকে ঝুকিমুক্ত রাখা খুবি গুরুত্তপূর্ন একটি বিষয় মানব শরীরের জন্য।
আপনার কিডনি রোগ হওয়ার ঝুঁকি কমাতে যা যা করণীয়ঃ
- ওভার-দ্য-কাউন্টার ওষুধের নির্দেশাবলী অনুসরণ করুন। অ্যাসপিরিন, আইবুপ্রোফেন (অ্যাডভিল, মট্রিন আইবি, অন্যান্য) এবং ডাইক্লোফেনাক, কিটোরোলাক, নেফ্রোক্সেন, আইবোপ্রোপেন, কিটোপ্রোপেন, ইটোরিকক্সিভ, রফিকক্সিভ ইত্যাদি এর মতো প্রেসক্রিপশন ছাড়া ব্যথা উপশমকারী ঔষুধ ব্যবহার করার সময়, প্যাকেজের নির্দেশাবলী অনুসরণ করুন।দীর্ঘ সময় ধরে অনেক বেশি ব্যথা ঔষুধ গ্রহণ করলে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
- ওজন নিয়ন্ত্রন করুন, স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখুন।আপনি যদি স্বাস্থ্যকর ওজনে থাকেন তবে সপ্তাহের বেশিরভাগ দিন শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকার মাধ্যমে এটি বজায় রাখুন। আপনার যদি ওজন কমানোর প্রয়োজন হয়, তাহলে স্বাস্থ্যকরভাবে ওজন কমানোর কৌশল সম্পর্কে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন।
- ধূমপান করবেন না এটি পরিহার করুন। সিগারেট ধূমপান আপনার কিডনির ক্ষতি করতে পারে এবং বিদ্যমান কিডনির ক্ষতিকে আরও খারাপ করে তুলতে পারে। আপনি যদি একজন ধূমপায়ী হন তবে ছেড়ে দেওয়ার কৌশল সম্পর্কে আপনার ডাক্তারের সাথে কথা বলুন। সাপোর্ট গ্রুপ, কাউন্সেলিং এবং ওষুধ এই সবই আপনাকে থামাতে বা পরিহার করতে সাহায্য করতে পারে।
- আপনার ডাক্তারের সাহায্যে আপনার চিকিৎসা পরিস্থিতি পরিচালনা করুন। আপনার যদি রোগ বা লহ্মণ থাকে যা আপনার কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ায়, সেগুলি নিয়ন্ত্রণ করতে আপনার ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ি কাজ করুন। কিডনির ক্ষতির লক্ষণগুলি দেখার জন্য পরীক্ষাগুলি সম্পর্কে আপনার ডাক্তারকে জিজ্ঞাসা করুন।
শেষ কথাঃ কিডনি রোগ নিরাময়ে প্রযুক্তির অবদান
চিকিৎসা বিজ্ঞানে প্রযুক্তির অবদান অপরিসীম,ভালোমানের চিকিৎসা ব্যবস্থার জন্য প্রয়োজন উন্নতমানের চিকিৎসা প্রযুক্তি।অল্প সময়ে নিখুতভাবে রোগ সনাক্তকরণ ও নিরাময় করার জন্য আজ অনেক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।চিকিৎসা বিজ্ঞানের সব থেকে কার্যকর ও অতি গুরুত্বপুর্ণ প্রযুক্তি হচ্ছে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার।বিষেশ করে কিডনি ক্যান্সারের মতো জটিল রোগের হ্মেত্রে আইসোটোপের ব্যবহার উল্লেখ্যযোগ্য।
আরো পড়ুনঃ নুডুলস স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কেন-বিস্তারিত জানুন
রেনোগ্রাম হচ্ছে একধরনের আইসোটোপ।যা কিডনি চিকিৎসাই প্রয়োগ করা হয়। কিডনির কার্যকারিতা পরীক্ষণে ও রোহ নির্ণয়ে রেনোগ্রাম ব্যবহার করা হয়। এর জন্য অল্পমাত্রায় তেজস্ক্রিয় আয়োডিন-131 ও একটি রাসায়নিক পদার্থের সংমিশ্রণ ইনজেকশনের মাধ্যমে রোগীর শরীরে প্রবেশ করানোর মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করা হয়। কিডনি সংযোজনের ক্ষেত্রে এই পরীক্ষাটি গুরুত্বপূর্ণ।😊
এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url